জলবায়ু পরিবর্তনে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানোর প্রকল্প শুরু।
জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের একটি অন্যতম পদক্ষেপ। এ প্রেক্ষাপটে ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যশনাল ডেভেলপমেন্টের (ডিএফআইডি) অর্থায়নে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) কারিগরি সহায়তায় এশিয়া ও আফ্রিকার ছয়টি দেশে (বাংলাদেশ, নেপাল, ইথিওপিয়া, তানজানিয়া, মালাউই, মোজাম্বিক) জলবায়ু সংবেদনশীল রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবের প্রাথমিক সতর্ক সংকেত প্রবর্তনের প্রকল্প শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর একটি অভিজাত এ প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের উদ্বোধন করা হয়।
‘জলবায়ু পরিবর্তনে অজ্ঞাত রোগ নজরদারি ও প্রাথমিক সতর্কবার্তা এবং প্রতিক্রিয়া সিস্টেম শক্তিশালী’ শীর্ষক প্রকল্পটি শুরু হয়।
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেবরিনা ফ্লোরার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন ডব্লিউএইচও’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. বর্ধন জন রানাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিকভাবে বিভিন্ন রোগ বৃদ্ধিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু বিষয়ক তথ্য, পানির গুণমান ও বিভিন্ন রোগসমূহের সারভেইল্যান্স থেকে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগের প্রাদুর্ভাবের প্রাথমিক সতর্ক সংকেত প্রবর্তন করা সম্ভব হবে। ফলে রোগের প্রাদুর্ভাবের আগেই প্রতিরোধের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব পর হবে।
প্রকল্পটি যৌথভাবে আইইডিসিআর, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর ও দেশের আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালিত হবে। দেশের ৫টি বিভাগের ছয়টি জেলার জলবায়ু বিষয়ক তথ্য এবং আইইডিসিআর এ চলমান ডেঙ্গু, কলেরা এবং রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগসমূহের সারভেইল্যান্সসমূহ অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলেও জানানো হয়।
Comments
Post a Comment